FANDOM


দূরবর্তী কারণEdit

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় উপমহাদেশ ভেঙ্গে পাকিস্তান ও ভারত সৃষ্টির পর থেকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কারণগুলো সৃষ্টি হওয়া শুরু হয়েছে। এই কারণগুলোকে দূরবর্তী কারণ বলা যায়।

  • এর মধ্যে প্রধানতম কারণ ছিল ভাষা, সমাজ, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ভৌগলিক অবস্থানের সকল বিরুদ্ধতাকে উপেক্ষা করে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা। প্রকৃতই পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে একমাত্র ধর্ম ব্যাতীত অন্য কোন মিল ছিলনা। আর দেশ দুইটিও ছিল অনেক দূরে দূরে। এহেন অবস্থায়ে এদেরকে নিয়ে একসাথে একটিমাত্র রাষ্ট্র স্থাপনের পরিকল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধতা ছিল যা বিভক্তির পর থেকেই বোঝা যাচ্ছিল।
  • একে তো ভৌগলিকভাবে বিচ্ছিন্ন দুইটি পৃথক জাতি নিয়ে একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তার উপর এই নতুন রাষ্ট্রের সকল জাতির মধ্যে ঐক্য আনয়নে প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো বিনির্মাণে পাকিস্তান সরকারের ব্যর্থতাও বৃহৎ কারণ হিসেবে কাজ করেছে।

ভাষা আন্দোলনEdit

এই বিষয়ে মূল নিবন্ধের জন্য দেখুন: ভাষা আন্দোলন

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাঙালীরা উপেক্ষিত, বঞ্চিত ও শোষিত হতে শরু করে। ফলশ্রুতিতে বাঙালীদের মধ্যে দানা বেঁধে উঠে বেশ কিছু আন্দোলন: রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন, জনসংখ্যাভিত্তিক আইন পরিষদ গঠনের দাবীতে আন্দোলন এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণের দাবীতে সংগ্রাম। মূলত ভাষা আন্দোলনের প্রভাবই ছিল মুখ্য যার ফলশ্রুতিতে স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন দীর্ঘমেয়াদী সংগ্রামে রুপলাভ করে।

স্বায়ত্তশাসন লাভের প্রচেষ্টাEdit

পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের প্রথম সুস্পষ্ট মত প্রকাশিত হয় ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত প্রাদেশিক সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে। এই নির্বাচনে বিরোধীদলীয় যুক্তফ্রন্ট একুশ দফা দাবী পেশ করে যাতে স্পষ্ট বলা ছিল যে, দেশরক্ষা, পররাষ্ট্র ও মুদ্রা ব্যতীত সকল বিষয় প্রাদেশিক সরকারের হাতে ন্যাস্ত করতে হবে। যুক্তফ্রন্ট বিপুল ভোটে বিজয়ী হলেও পাকিস্তান সরকার তা ভেঙ্গে দেয়। এর পর শুরু হয় স্বায়ত্তশাসনকামী দলগুলোর মধ্যে বিভেদের ইতিহাস।

প্রত্যক্ষ কারণসমূহEdit

রাজনৈতিক কারণEdit

সাংস্কৃতিক কারণEdit

সামাজিক কারণEdit

অর্থনৈতিক কারণEdit

এই বিষয়ে মূল নিবন্ধের জন্য দেখুন: পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বৈষম্য